logo
১৫ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩১শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সিলেট
    • সুনামগঞ্জ
    • মৌলভীবাজার
    • হবিগঞ্জ
  • রাজনীতি
  • প্রবাস
  • দেশ-জনপদ
  • সাহিত্য
  • লাইফস্টাইল
  • স্বাস্থ্য বার্তা
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • তথ্য প্রযুক্তি
  • যোগাযোগ
    • ভিডিও
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • দেশ-জনপদ
  • প্রবাস
  • সিলেট
  • মৌলভীবাজার
  • সুনামগঞ্জ
  • হবিগঞ্জ
  • সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
  • সাহিত্য
  • মুক্তমত
  • তথ্য প্রযুক্তি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • স্বাস্থ্য বার্তা
  • ভিডিও
  • যোগাযোগ
  1. হোম
  2. প্রচ্ছদ

নারী শিক্ষায় বেগম রোকেয়া-তাহমিনা আক্তার


বার্তালোক ডট কম

প্রকাশিত হয়েছে : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ৬:৫৪ মিনিট

জাগো বঙ্গবাসি

দেখ,কে দুয়ারে

অতি ধীরে ধীরে করে করাঘাত।

ঐ শুন শুন !

কে বা তোমাদের

সুমধুর স্বরে বলেঃ”সুপ্রভাত”

বাঙালি মুসলিম সমাজের নারীদের অন্ধকারময় পৃথিবীতে আলোকবার্তা হাতে এসেছিলেন বেগম রোকেয়া।

যার সকল কর্মের মূলে ছিল নারীমুক্তির স্বপ্ন। আর এই স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে গিয়েই তিনি একদিকে কলম তুলে নিয়েছিলেন, অন্যদিকে নারীদের নতুন পথের সন্ধান দেখিয়েছিলেন। তিনি ছিলেন একজন চিন্তাবিদ,প্রাবন্ধিক,ঔপন্যাসিক,সাহিত্যক ও সমাজসংস্কারক।তিনি বাঙালি মুসলিম নারী জাগরণের অগ্রদুত এবং প্রথম বাঙালি নারীবাদী। এ কারণেই তিনি আজও ‘নারী জাগরণের অগ্রদূত’হিসেবে পরিচিত। বেগম রোকেয়া ১৮৮০ সালের ৯ ডিসেম্বর রংপুর জেলার মিঠাপুকুর থানার অন্তর্গত পায়রাবন্দ গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম জমিদার পরিবারে জন্মগ্রহন করেন । বেগম রোকেয়ার পারিবারিক নাম রোকেয়া খাতুন। তার পিতার নাম জহিরুদ্দিন মুহম্মদ আবু আলী সাবের এবং মাতার নাম রাহাতুন্নেসা সাবেরা চৌধুরানী।বেগম রোকেয়ার বাবা একজন শিক্ষিত জমিদার ছিলেন। বেগম রোকেয়ার করিমুন্ননেসা ও হুমায়রা নামে দুই বোন ছিলেন ও তিন ভাই ছিলেন। এক ভাই শৈশবেই মারা যান। বেগম রোকেয়ার যখন জন্ম হয় তখন তাদের জমিদা্রি অনেকটা পড়ন্ত দশায় ছিল। তবুও তাঁর শৈশব কাটে জমিদারি রীতি অনুযায়ী কঠোর পর্দা ও অবরোধের মধ্যে।ঘরের বাইরে তো দূরের কথা ,কোনো আত্নীয়–স্বজনের সামনে যাওয়াও নিষেধ ছিল। তাই বাড়িতে আত্নীয়_স্বজন এলে কখনো চিলেকোঠায়,কখনো সিঁড়ির নিচে, কখনো দরজার আড়ালে ,তক্তপোষের নিচে এমনকি রান্নাঘরের ঝাঁপের আড়ালেও লুকিয়ে থাকতে হতো তাকে। তার নিজের ভাষায়,“অবিবাহিত বালিকাদিগকে অতি ঘনিষ্ঠ আত্মীয় এবং বাড়ির চাকরাণী ব্যতীত অপর কোনো স্ত্রীলোক দেখিতে পায় না।” এমন কঠোর পর্দা প্রথার মধ্যেই বেগম রোকেয়ার বেড়ে ওঠা। বেগম রোকেয়ার সময়ে মেয়েদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা লাভের কোনো সুযোগ ছিলনা। তখনকার দিন অভিভাবকরা মুসলিম মেয়েদের স্কুলে যেতে দিতেন না।সেজন্য অন্য মুসলমান মেয়েদের মতো তাঁর ও স্কুলে যাবার অনুমতি ছিলনা ,তাই বিশ্বের অনেক কৃতী ব্যক্তির মতো বেগম রোকেয়াও প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা লাভ করতে পারেননি। কিন্তু বেগম রোকেয়া দমবার পাত্রী ছিলেন না। নিজের প্রবল আগ্রহ ও কিছু মানুষের সহায়তায় তিনি হয়ে উঠেছিলেন স্বশিক্ষিত। তাইতো সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুল চালু করার সময় প্রথমদিকে বিদ্যালয়ের শিক্ষাদান সম্পর্কে তার কোনো ধারণাই ছিল না। সামসুন্নাহার মাহমুদের ভাষায়,“রোকেয়া যখন প্রথম পাঁচটি ছাত্রী নিয়ে বালিকা স্কুল স্থাপন করেন, তখন তিনি ভেবে পাননি কী করে একজন শিক্ষয়িত্রী একই সঙ্গে পাঁচটি মেয়েকে পড়াতে পারে। তবে তিনি বাংলা, ইংরেজি, উর্দু, ফার্সি প্রভৃতি ভাষা সম্পর্কে যথার্থ জ্ঞান লাভ করেছিলেন। তার সাহিত্যে আমরা এর পরিচয় পাই। বেগম রোকেয়া যে মুসলিম সমাজে বেড়ে উঠেছিল সেখানে স্ত্রীশিক্ষা হিসেবে প্রচলিত ছিল ‘টিয়া পাখির মতো কোরান শরীফ’ পাঠ, নামাজ, রোজা ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান সম্পর্কে জ্ঞান। এছাড়া স্বামী বা নিকট আত্মীয়কে চিঠি লিখতে পারা, দু-একটি উর্দু-ফারসি পুঁথি পুস্তক পড়ার ক্ষমতা, সেলাই, রান্না ইত্যাদির মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। তখন মেয়েদের বাংলা শিক্ষা ছিল অনেকটা নিষিদ্ধ। কিন্তু এমন সমাজের মধ্যেও বেগম রোকেয়ার বড় বোন করিমুন্নেসা একটু আধটু বাংলা পড়েছিলেন এবং ছদ্মনামে বেশ কয়েকটা কবিতাও লিখেছিলেন। করিমুন্নেসার বিদ্যানুরাগ বেগম রোকেয়াকে অনুপ্রেরণা যোগায়। এর সাথে বড় ভাই ইব্রাহিম সাবেরের প্রচেষ্টায় তিনি শৈশব থেকে কুসংস্কারকে ঘৃণা করতে শেখেন এবং বিদ্যার্জন করেন। ১৯৯৮ সালে সৈয়দ সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে বেগম রোকেয়ার বিয়ে হয়।বিয়ের পর স্বামীর নাম অনুসারে তাঁর নাম হয় বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন। বিয়ের পর স্বামী সাখাওয়াত হোসেনও তাকে পড়ালেখার ব্যাপারে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছিলেন। সৈয়দ সাখাওয়াত হোসেন ছিলেন উর্দুভাষী। তাদের বিয়ের সময় বেগম রোকেয়ার বয়স ছিল ১৬ এবং সাখাওয়াত হোসেনের ছিল ৩৮ বছর। সাখাওয়াত হোসেন প্রথম স্ত্রীর মৃত্যুর পর তাকে বিয়ে করেন। ব্যক্তি হিসেবে সাখাওয়াত হোসেন ছিলেন একজন উদারমনা, রুচিশীল, আত্মমর্যাদাসম্পন্ন ও কুসংস্কার বিরোধী মানুষ। এছাড়া স্ত্রীশিক্ষার পক্ষপাতীও ছিলেন তিনি। তাইতো তিনি বেগম রোকেয়াকে ইংরেজি শিক্ষার ব্যাপারে উৎসাহিত করেন।১৯০৯ সালের ৩মে সৈয়দ সাখাওয়াত হোসেন মারা যান। ১৯০৯ সালে মৃত্যুর আগেই মেয়েদের শিক্ষার জন্য দশ হাজার টাকা দিয়ে গিয়েছিলেন। বেগম রোকেয়া ছিলেন নিঃসন্তান। তার দু’টি কন্যা সন্তান জন্ম হয়েছিল। কিন্তু তাদের অকাল মৃত্যু হয়। উর্দুর প্রবল প্রতিকূল স্রোতে বাংলা ভাষাকে প্রাণপ্রণে আঁকড়ে ধরে রেখেছিলেন বেগম রোকেয়া। তার স্বামী ও অভিভাবকরা সবাই ছিলেন বাংলা ভাষার বিরোধী। কিন্তু এর মাঝেও তিনি বাংলা ভাষার চর্চা অব্যাহত রেখেছিলেন। এছাড়া স্বামী সাখাওয়াত হোসেনকে বাংলা শেখাবার ব্রতও নিয়েছিলেন। বাংলা ভাষার চর্চা অব্যাহত রাখতে তাকে যে নিদারুণ সংগ্রাম করতে হয়েছিল তার বর্ণনা ‘মতিচূর গ্রন্থের দ্বিতীয় খন্ডের করিমুন্নেসার নামে উৎসর্গ পত্রে রয়েছে। বেগম রোকেয়া বিদ্যালয়ে শিক্ষালাভ না করলেও ইংরেজি ভাষার ওপর তার যথেষ্ট দখল ছিল। তার লেখা ওলফভট্র, Sultana's Dream-এর প্রমাণ। এছাড়া বিভিন্ন বিখ্যাত ব্যক্তিদের কাছে দেয়া ইংরেজিতে লেখা চিঠিও এর প্রমাণ বহন করে। স্বামীর হাত ধরেই এবং তার অনুপ্রেরণাতেই মূলত তিনি সাহিত্য জগতে পদার্পন করেন। তার লেখাতেই নারীবাদী চিন্তার প্রকাশ ঘটেছে। আধুনিক জাগরণশীল বাঙালি মুসলিম সমাজে বেগম রোকেয়াই প্রথম উল্লেখযোগ্য লেখিকা। সাহিত্য ক্ষেত্রে তিনি মিসেস আর এস হোসেন নামে পরিচিত ছিলেন। তাঁর প্রথম প্রকাশিত রচনা পিপাসা। ১৯০১ সালে ‘নবপ্রভা’পত্রিকায় এটি প্রথম প্রকাশিত হয়। এছাড়া তাঁর বিভিন্ন লেখা নবনূর, সওগাত, মোহাম্মদী ইত্যাদি পত্রিকায় প্রকাশিত হত। তার গ্রন্থের সংখ্যা পাঁচটি। এগুলো হলো- মতিচূর (প্রথম খন্ড), সুলতানার স্বপ্ন, মতিচূর (দ্বিতীয় খন্ড), পদ্মরাগ ও অবরোধবাসিনী। এছাড়া সম্প্রতিকালে বিভিন্ন গবেষণার মাধ্যমে আরও কিছু রচনা ও চিঠিপত্র পাওয়া গেছে।“সুকঠিন গার্হস্থ্য ব্যাপার সুশৃঙ্খলে কে পারে চালাতে রাজ্যশাসনের রীতিনীতি সূক্ষ্মভাবে রয়েছে ইহাতে।”বেগম রোকেয়া এই কথাটি শুধু মুখেই বলেননি তা মনে প্রাণে বিশ্বাস করতেন। তাইতো নারীদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন করতে নারীর মানবীয় সত্তার প্রতিষ্ঠা কামনা করেছেন। মুসলিম নারী সমাজের কুসংস্কারের জাল ছিন্ন করতে এবং জড়তা দূর করতে তিনি সাহিত্যকে মাধ্যম হিসেবে বেছে নিয়েছেন। তিনি বলতেন- “না জাগিলে ভারত ললনা, এ ভারত আর জাগিবে না।” তাই তিনি তার লেখার মাধ্যমে নারীর জাগরণের জন্য লড়াই করেছেন। মুক্তিফল গল্পে তাই বলেছেন- “কন্যারা জাগ্রত না হওয়া পর্যন্ত দেশমাতৃকার মুক্তি অসম্ভব। বেগম রোকেয়ার মতে এই জাগরণের প্রধান শর্ত শিক্ষা। তার ভাষায়“আমরা পুরুষের ন্যায় সাম্যক সুবিধা না পাইয়া পশ্চাতে পড়িয়া আছি।” তিনি বুঝেছিলেন শিক্ষাই হলো স্বনির্ভরতার সোপান। তাই শিক্ষাকে তিনি জীবনের ব্রত হিসেবে নিয়েছিলেন। ব্যক্তিগত দুর্ভাগ্য, আর্থিক সমস্যা, সামাজিক বাধা,লোকনিন্দা কোনো কিছুই তাকে তাঁর এই মহান ব্রত থেকে সরাতে পারেনি।তাই তো তিনি স্ত্রী জাতির অবনতি।অর্ধাঙ্গী,সুগৃহিন,বোরকা ,জাগো গো ভগিনী প্রভৃতি প্রবন্ধে তিনি শিক্ষার জয়গানই গেয়েছেন,দিয়েছেন নারীমুক্তির দীক্ষা।তিনি বলেছিলেন…পুরুষের সমকক্ষতা লাভের জন্যে আমাদিগকে যাহা করিতে হয়।তাহাই করিব। যদি এখন স্বাধীনভাবে জীবিকা অর্জ্জন করিলে স্বাধীনতা লাভ হয়,তবে তাহাই করিব।আবশ্যক হইলে আমরা লেডী কেরাণী হইতে আরম্ভ করিয়া লেডী ম্যাজিস্ট্রেট,লেডী ব্যারিস্টার,লেডী জজ-সবই হইব! বেগম রোকেয়া কেবল একজন সুলেখিকাই ছিলেন না তিনি ছিলেন নারীজাগরণের অন্যতম অগ্রপ্রতিক। স্বামী ও কন্যা সন্তানের মৃত্যুর পর তিনি নিঃসঙ্গ হয়ে পরেন। তার লেখালেখি এবং পড়ালেখার প্রতি অত্যধিক আগ্রহ দেখে মূলত তাঁর স্বামীই তাকে অনুপ্রেরণা দেন।নিঃসঙ্গ রোকেয়া স্বামীর অনুপ্রেরণাকে বুকে ধারণ করেই নিজেকে নারীশিক্ষা ও সমাজসেবায় নিয়োজিত করেন। স্বামীর প্রতি অগাধ ভালোবাসার টানে তাঁর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে নারী শিক্ষার জন্যে ১৯০৯ সালে মাত্র পাঁচজন ছাত্রী নিয়ে তিনি প্রতিষ্ঠা করে সাখাও্য়াত মেমোরিয়াল গার্লস স্কুল। তারপর সম্পত্তি নিয়ে ঝামেলার কারণে স্কুল বন্ধ করতে বাধ্য হন।পরে তিনি কলকাতায় চলে আসেন এবং হার না মানা এই মহীয়সী নারী অদম্য সাহস ও আত্নবিশ্বাস নিয়ে ১৯১১ সালের ১৫ ই মার্চ মাত্র আট জন ছাত্রী নিয়ে আবার চালু করেন সাখাওয়াত মেমোরিয়ালস গার্লস স্কুল । তিনি বাড়ি বাড়ি গিয়ে অভিভাবকদের নারীশিক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে বুঝান এবং মেয়েদেরকে বিদ্যালয়ে ভর্তি করার অনুরোধ করেন। তাঁর ঐক্যান্তিক প্রচেষ্টায় মাত্র চার বছরের মধ্যেই আট জন ছাত্রী নিয়ে শুরু করা বিদ্যালয়ে ছাত্রী সংখ্যা একশ জনে উন্নীত হয় এবং পরবর্তীতে ১৯৩০ সালে এটি পূর্নাঙ্গ উচ্চ বিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। বিদ্যালয় পরিচালনা ও সাহিতচর্চার পাশাপাশি তিনি জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত নিজেকে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংগঠনিক কাজে নিয়োজিত রাখে।.১৯১৬ সালে তিনি মুসলিম বাঙালি নারী সংগঠন আনজুমানে খাওয়াতিনে ইসলাম প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯২৬ সালে কলকাতায় অনুষ্ঠিত বাংলার নারী শিক্ষা বিষয়ক সম্মেলনে সভাপতিত্ব করে।.১৯৩০সালে বেঙ্গল মুসলিম কনফারেন্সে বাংলা ভাষার পক্ষে জোরালো বিবৃতি দেন যা তখকার সময়ে একটি দুঃসাহসিক কাজ ছিল। নারি জাগরণের অগ্রদূত এবং নারীদের আলোর দিশারী বেগম রোকেয়ার জীবনকাল ছিল মাত্র বায়ান্ন বছর। স্বল্প সময়েই এই ক্ষনজন্মা মহিয়সী নারী পেয়েছেন অসংখ্য সম্মাননা ও স্বীকৃতি। তাঁর স্মরণে ২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত রংপুর বিশ্ববিদ্যালয় এর নামকরণ করা হয়”বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়। এটি ছিল নারীর নামে বাংলাদেশে প্রথম কোনো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়। প্রতি বছর ৯ ডিসেম্বর তাঁর জন্মদিনে “বেগম রোকেয়া দিবস “পালিত হয় এবং নারী উন্নয়নে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি স্বরুপ বিশিষ্ট নারীদের বেগম রোকেয়া পদক প্রদান করা হয়। ১৯৬০ সালে নির্মিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রী নিবাসের নাম দেওয়া হয় “বেগম রোকেয়া হল”যার পূর্ব নাম ছিল উইমেন্স হল। বেগম রোকেয়ার অবদ্দানকে চিরস্মরনীয় করে রাখতে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়,রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়,বাংলাদেশ ক্রৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের আবাসিক হলের নামকরণ করা হয় “রোকেয়া হল। ১৯৮০ সালে বাংলাদেশ ডাক বিভাগ বেগম রোকেয়ার জন্মশত বার্ষিকীতে তাকে শ্রদ্ধা জানাতে দুটি স্মারক ডাকটকিট প্রকাশ করে। ২০০৪ সালে বেগম রোকেয়া বিবিসি বাংলার সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি ভোটে ষষ্ঠ ভোট পেয়েছিলেন। বাংলাদেশের নারী আন্দোলের ইতিহাসে বেগম রোকেয়ার অবদান চিরস্মরণীয় ও চিরন্তন।নারীর সম অধিকারের জন্যে আমৃত্যু লড়াই গেছেন এই মহিয়সী নারী।.১৯৩২ সালের ৯ ডিসেম্বর কলকাতায় মৃত্যুবরণ করেন।

তাহমিনা আক্তার

প্রধান শিক্ষক, উচাইল হোসেনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

কুলাউড়া,মৌলভীবাজার

প্রচ্ছদ এর আরও খবর
মনু নদীতে বিলীনের পথে শতবর্ষী কাউকাপন বাজার 

মনু নদীতে বিলীনের পথে শতবর্ষী কাউকাপন বাজার 

সিলেটে সিমের মেয়াদের নামে গ্রাহক ভোগান্তি বন্ধের দাবিতে গণজমায়েত

সিলেটে সিমের মেয়াদের নামে গ্রাহক ভোগান্তি বন্ধের দাবিতে গণজমায়েত

মৌলভীবাজারে শুরু হলো ফুলকুঁড়ি আসরের ‘মাইন্ড ম্যারাথন’ কুইজ প্রতিযোগিতা

মৌলভীবাজারে শুরু হলো ফুলকুঁড়ি আসরের ‘মাইন্ড ম্যারাথন’ কুইজ প্রতিযোগিতা

জুলাই যোদ্ধাদের সিএনজি অটোরিকশা ও রিকশা উপহার দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

জুলাই যোদ্ধাদের সিএনজি অটোরিকশা ও রিকশা উপহার দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সর্বশেষ সংবাদ
মনু নদীতে বিলীনের পথে শতবর্ষী কাউকাপন বাজার 
মনু নদীতে বিলীনের পথে শতবর্ষী কাউকাপন বাজার 
সিলেটে সিমের মেয়াদের নামে গ্রাহক ভোগান্তি বন্ধের দাবিতে গণজমায়েত
সিলেটে সিমের মেয়াদের নামে গ্রাহক ভোগান্তি বন্ধের দাবিতে গণজমায়েত
মৌলভীবাজারে শুরু হলো ফুলকুঁড়ি আসরের ‘মাইন্ড ম্যারাথন’ কুইজ প্রতিযোগিতা
মৌলভীবাজারে শুরু হলো ফুলকুঁড়ি আসরের ‘মাইন্ড ম্যারাথন’ কুইজ প্রতিযোগিতা
জুলাই যোদ্ধাদের সিএনজি অটোরিকশা ও রিকশা উপহার দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
জুলাই যোদ্ধাদের সিএনজি অটোরিকশা ও রিকশা উপহার দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
কুলাউড়া ভাটেরা বাজারে বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত
কুলাউড়া ভাটেরা বাজারে বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত
মৌলভীবাজার জেলা এসোসিয়েশন, টরন্টো, অন্টারিও, কানাডা’ এর ‘বার্ষিক বনভোজন ২০২৬’ অনুষ্ঠিত
মৌলভীবাজার জেলা এসোসিয়েশন, টরন্টো, অন্টারিও, কানাডা’ এর ‘বার্ষিক বনভোজন ২০২৬’ অনুষ্ঠিত
কুলাউড়া পৌর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এমপি শওকতুল ইসলাম কে সংবর্ধনা
কুলাউড়া পৌর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এমপি শওকতুল ইসলাম কে সংবর্ধনা
পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষায় সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি অর্জন করেছে তাওসিফ আল হোসেন
পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষায় সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি অর্জন করেছে তাওসিফ আল হোসেন
কুলাউড়ায় র‍্যাবের অভিযানে অনলাইন জুয়ার খেলার অপরাধে আটক-৪
কুলাউড়ায় র‍্যাবের অভিযানে অনলাইন জুয়ার খেলার অপরাধে আটক-৪
রবিরবাজারে নির্মাণ শ্রমিকদের মাঝে ‘এমপি’ শওকতুল ইসলাম বরাদ্ধের চাল বিতরণ অনুষ্ঠিত
রবিরবাজারে নির্মাণ শ্রমিকদের মাঝে ‘এমপি’ শওকতুল ইসলাম বরাদ্ধের চাল বিতরণ অনুষ্ঠিত
জমকালো আয়োজন ও উৎসবমুখর পরিবেশে শেষ হলো মেডওয়ে বাংলা কমিউনিটির প্রথম গ্রীষ্ম মেলা
জমকালো আয়োজন ও উৎসবমুখর পরিবেশে শেষ হলো মেডওয়ে বাংলা কমিউনিটির প্রথম গ্রীষ্ম মেলা
রাজনগরে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগে স্বামী আটক, বসতবাড়ির উঠান থেকে মরদেহ উদ্ধার
রাজনগরে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগে স্বামী আটক, বসতবাড়ির উঠান থেকে মরদেহ উদ্ধার
কুলাউড়া পৌরসভার ৯৮ কোটি ২৮ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা
কুলাউড়া পৌরসভার ৯৮ কোটি ২৮ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা
পূর্ব লন্ডনে এস৯ ফিল্মস টেপ বল ক্রিকেট টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত, যৌথ চ্যাম্পিয়ন গোয়াইনঘাট স্পোর্টস ও জগন্নাথপুর সিসি
পূর্ব লন্ডনে এস৯ ফিল্মস টেপ বল ক্রিকেট টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত, যৌথ চ্যাম্পিয়ন গোয়াইনঘাট স্পোর্টস ও জগন্নাথপুর সিসি
মৌলভীবাজারে প্রাক্তন শিক্ষিকা ওপর হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন
মৌলভীবাজারে প্রাক্তন শিক্ষিকা ওপর হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন
কুলাউড়ার পাবই সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় রাজনীতির গ্যাড়াকলে ভূমি দাতা পরিবার
কুলাউড়ার পাবই সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় রাজনীতির গ্যাড়াকলে ভূমি দাতা পরিবার
কুলাউড়ায় শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় অবসরে গেলেন শিক্ষক সফিকুর রহমান
কুলাউড়ায় শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় অবসরে গেলেন শিক্ষক সফিকুর রহমান
এসএসসি ৯৫ ব্যাচ কুলাউড়া এর দ্বিবার্ষিক ২৬-২৭,২৭-২৮ সেশনের কমিটি গঠন সম্পন্ন
এসএসসি ৯৫ ব্যাচ কুলাউড়া এর দ্বিবার্ষিক ২৬-২৭,২৭-২৮ সেশনের কমিটি গঠন সম্পন্ন
দৈনিক দেশ প্রতিদিন পত্রিকার কুলাউড়া উপজেলা প্রতিনিধি হলেন আব্দুল ওয়াদুদ
দৈনিক দেশ প্রতিদিন পত্রিকার কুলাউড়া উপজেলা প্রতিনিধি হলেন আব্দুল ওয়াদুদ
“মৌলভীবাজারের কাবিদ রহমান বৃটেনের পন্টিপ্রিড টাউন কাউন্সিলের মেয়র নির্বাচিত; 
“মৌলভীবাজারের কাবিদ রহমান বৃটেনের পন্টিপ্রিড টাউন কাউন্সিলের মেয়র নির্বাচিত; 

© 2026 bartaloke.com, All rights reserved.

সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: আব্দুল জলিল
নির্বাহী সম্পাদক: মাহফুজ শাকিল

সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার: মোঃ ইব্রাহীম আলী
প্রধান আলোকচিত্র সাংবাদিক:মারুফ আহমেদ

সম্পাদকীয় কার্যালয়ঃ মান্নান ম্যানশন, দক্ষিণ বাজার, কুলাউড়া, মৌলভীবাজার।
Email : bartaloke@gmail.com
মোবাইল : 01712-198443

Developed by: Web Design & IT Company in Bangladesh

Go to top