জয়চন্ডী ইউনিয়ন যুব উন্নয়ন পরিষদের বর্ষপূর্তি ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত, প্রধান অতিথি ‘এমপি’
বার্তালোক ডট কম
প্রকাশিত হয়েছে : ০৫ জুন ২০২৬, ৭:১৭ মিনিট
বার্তালোক ডেস্ক : “ঐক্য অটুট চিরকাল, থাকবো মোরা নির্ভেজাল, জয় হোক মানবতার”— এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গঠিত জয়চন্ডী ইউনিয়ন যুব উন্নয়ন পরিষদের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার-২ (কুলাউড়া) আসনের সংসদ সদস্য মোঃ শওকতুল ইসলাম। সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও ৪নং জয়চন্ডী ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মইনুল হক বকুল-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভা পরিচালনা করেন যুব উন্নয়ন পরিষদের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক দুলাল আহমদ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সজল, কাদিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মুক্তার মিয়া, জয়চন্ডী ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল গফফার চৌধুরী, লুতফুর রহমান মেহের, আজিজুল হক বাবুল, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আতিকুর রহমান ইমরান, জয়চন্ডী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মিলন বৈদ্য, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুর রহিম আলো, ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বদরুল ইসলাম, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল ইসলাম। উপস্থিত ছিলেন যুব উন্নয়ন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হেলাল আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক রুবেল আহমদ, জিয়ার সৈনিক দলের উপজেলা নেতা হেলাল আহমদ, ৪নং জয়চন্ডী ইউনিয়নের সদস্য মনু মেম্বার, জাহাঙ্গীর হুসেন এবং সংকর উরাং সহ যুব উন্নয়ন পরিষদে নেতৃবৃন্দ বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সহ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে বক্তারা জয়চন্ডী ইউনিয়ন যুব উন্নয়ন পরিষদের সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডের বিভিন্ন স্মৃতিচারণ করেন এবং সংগঠনের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন। এ সময় উপস্থিত বক্তারা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মইনুল হক বকুলের নাম প্রস্তাব করেন এবং এ বিষয়ে প্রধান অতিথি ও উপজেলা বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য শওকতুল ইসলাম বলেন, যুব উন্নয়ন পরিষদের কর্মকাণ্ড নজরে এসেছে তারা সমাজকে কিছু দিতে চায়, সকল কর্মকাণ্ডে অতিতের ন্যায় সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপি প্রতিটি ইউনিয়ন থেকে দলীয়ভাবে একজন প্রার্থীকে মনোনয়ন দেবে। তিনি বলেন, “প্রার্থী অনেকেই হতে পারেন, তবে দলের জন্য অতীতের অবদান, আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা, সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা এবং জনসম্পৃক্ততার ভিত্তিতে যোগ্য ব্যক্তিকেই চূড়ান্ত মনোনয়ন দেওয়া হবে। মইনুল হক বকুলও যদি দলের বিবেচনায় উপযুক্ত প্রার্থী হিসেবে প্রতীয়মান হন, তবে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করা হবে।”
তিনি আরও বলেন, দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হতে পারে এবং গুরুতর ক্ষেত্রে দলীয় কর্মকাণ্ড থেকে আজীবন অব্যাহতি দেওয়ার বিষয়ও বিবেচনায় আসতে পারে।
বক্তব্যের শেষাংশে তিনি একটি সুন্দর ও জনকল্যাণমুখী সমাজ গঠনে যোগ্য নেতৃত্বের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং সকল জনহিতকর কর্মকাণ্ডে সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।

আলোচনা সভা শেষে দুজন রেমিট্যান্স যোদ্ধা প্রবাসীদের মধ্যে মানবিক কর্মকাণ্ডে অবধানের সম্মাননা সরুপ স্মারক (ক্রেট) তুলে দেওয়া হয়। এবং নৈশভোজের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।



