কুলাউড়ায় বিএনপি নেতা দেলোয়ার হোসেনের সংবাদ সম্মেলন
বার্তালোক ডট কম
প্রকাশিত হয়েছে : ২৯ মার্চ ২০২৫, ৪:৫১ মিনিট
মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে অপপ্রচারের প্রতিবাদ জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও কাদিপুর ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক দেলোয়ার হোসেন। মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) রাতে কুলাউড়া পৌর শহরস্থ একটি কার্যালয়ে তিনি এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন।সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি নেতা দেলোয়ার হোসেন বলেন, গত ২৪ মার্চ লন্ডন প্রবাসী জনৈক ব্যক্তি তাকে নিয়ে ফেসবুকে একটি পোস্টে উল্লেখ করেন, কুলাউড়ায় গ্রেফতার হওয়া যুুবলীগ নেতাকে ছাড়িয়ে নিতে লোকজন নিয়ে হাজির হন কাদিপুর ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক দেলোয়ার হোসেন। পুলিশ যুবলীগ নেতা ফরিদকে ছাড়তে রাজি না হলে দেলোয়ারের ইন্ধনে থানা প্রাঙ্গণে পুলিশের বিরুদ্ধে মিছিল দেয় যুবলীগের নেতাকর্মীরা।
ওই পোস্টের প্রতিবাদ জানিয়ে বিএনপি নেতা দেলোয়ার হোসেন বলেন, আমি বিএনপির রাজনীতি করি আমার উত্তরসূরীদের হাত ধরে। আমার পরিবার স্বৈরাচারী আওয়ামীলীগ দ্বারা স্বাধীনতার পর থেকে অনেক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তাদের মতো আমিও বিগত ১৭ বছর অনেক জুলুম ও নির্যাতনের শিকার হয়েছি। তাই আমাকে আওয়ামীলীগের কাউকে ছাড়াতে সুপারিশ করার কথা অপবাদ দেয়া সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। ব্যক্তিগত ফায়দা হাসিলের উদ্দেশ্য আমার সামাজিক মান মর্যাদা নষ্ট করার জন্য আমার বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে কাউকে মিথ্যা অপবাদ দেয়া ঠিক নয়। আওয়ামীলীগ-যুবলীগের কাউকে থানা থেকে ছাড়াতে সুপারিশ করার কোন প্রশ্নই আসেনা। ওই পোস্টে বলা হয়েছে, আমার ইন্ধনে থানার বাইরে যুবলীগের নেতাকর্মীরা মিছিল করেছে অথচ ৫ আগস্টের পর ফ্যাসিবাদি সংগঠনের কোন মিছিল কুলাউড়ায় হয়নি। বিশেষ করে বলতে চাই, দলের দুঃসময়ে বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় থেকে রাজপথে আন্দোলন সংগ্রাম করে অনেক হামলা-মামলার শিকার হয়েছি। আমার সার্বিক কর্মকান্ড জেলা কিংবা উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দরা অবগত আছেন। আমি রাজনীতি করি হালুয়া রুটির জন্য নয়। আমি বিএনপির একজন একনিষ্ঠ কর্মী আমাকে কখনো আওয়ামীলীগ কোন কিছুতেই আপোষ করাতে পারে নাই। আমি একাধারে তিন বার কাদিপুর ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক নির্বাচিত হয়ে দলের জন্য কাজ করে আসছি। আমাকে নিয়ে ষড়যন্ত্র করে সফল হওয়া যাবেনা। আমার রাজনীতিকে কলঙ্কিত করার জন্য উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে ফেসবুকে যে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে অপপ্রচার করা হয়েছে সেই বিষয়টি জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য সচিব, উপজেলা বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দদের অবগত করেছি। আমি যদি যুবলীগ নেতাকে থানা থেকে ছাড়াতে সুপারিশ করে থাকি তাহলে দল আমার বিরুদ্ধে যে ব্যবস্থা নিবে আমি তা মেনে নিবো৷
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন কাদিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ও আহবায়ক কমিটির সদস্য হাজী রফিক মিয়া ফাতু, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও আহবায়ক কমিটির সদস্য শফিকুর রহমান, উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক তানজিল হাসান খান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কাদিপুর ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম, উপজেলা জিসাসের আহবায়ক সোহেল আহমদ, কাদিপুর জিসাসের আহবায়ক পারভেজ আহমদ প্রমুখ।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তি




