আমার পিতা মৃত জয়নাল আবেদীন খান ব্রাহ্মণবাজার ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী শ্রীপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের দীর্ঘদিনের অভিভাবক সদস্য, শ্রীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তিনি মৃত্যুর আগ মুহুর্ত পর্যন্ত এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে ছিলেন। আমি দীর্ঘদিন দক্ষিণ আফ্রিকা ও দুবাইতে ছিলাম। বাবা-মায়ের চিকিৎসার জন্য গতবছর আমি দেশে আসি। দেশে আসার পর একবছরের মধ্যে আমার পিতা ও মাতা মারা যান। পরিবারের অভিভাবক বাবা-মা মারা যাওয়ায় আমরা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ি। তারপরও একটি মহল আমাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। অত্যন্ত দুঃখের বিষয় হলো, গত ১০ মার্চ দুপুরে ইউসুফ গণি আদর্শ কলেজের পাশে আমার ছোট ভাই দাউদ হোসেন খান লিটুকে মারধর করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের ইন্ধনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আমার মৃত পিতা ও আমাকে জড়িয়ে মিথ্যা, বানোয়াট, কুরুচিসম্পূর্ণ লেখালেখি করা হয়। গত ১৫ ও ১৬ মার্চ Md Sayem Khan, Adnan Raj, Sima Aktar ও কুলাউড়ার তাজা খবর নামক ফেইক আইডি থেকে আমার মৃত পিতাকে আওয়ামীলীগের সাবেক মেম্বার তকমা দিয়ে পোস্ট করা হয়। এমনকি আমি, আমার ভাই লিটুর বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়, আমরা নাকি একজন নিরীহ মানুষকে মারধর করে টাকা নিয়ে গাড়ী ভাংচুর করেছি। যা সম্পূর্ণরুপে মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। ওই পোস্টগুলো দেখে দেশ-বিদেশে অবস্থানরত আমাদের অনেক শোভাকাঙ্খী পোস্ট দাতার বিরুদ্ধে নানা সমালোচনা করে তীব্র নিন্দা জানান। ওই পোস্টের কারণে সামাজিকভাবে আমাদের পরিবারের অনেক সম্মানহানি হয়েছে। তাই সামাজিক নিরাপত্তার স্বার্থে আমাদের পরিবারের পক্ষ থেকে ওই পোস্ট দাতাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছি।
মো. শিপন খান, চকেরগ্রাম, ব্রাহ্মণবাজার ইউনিয়ন