আম খেলেও সতর্কতা মেনে চলুন
বার্তালোক ডট কম
প্রকাশিত হয়েছে : ২৮ জুন ২০২৩, ৩:৩৯ মিনিটবাজারে এখন মৌসুমি ফল আমের ছড়াছড়ি। আমে আছে প্রচুর প্রোটিন, খনিজ লবণ ও বিভিন্ন ভিটামিন। পুষ্টিগুণ থাকলেও আম খাওয়ার ক্ষেত্রে কিছু সতর্কতা মেনে চলতে হবে। একসঙ্গে বেশি খাওয়া যাবে না। ডায়াবেটিক রোগীদের নিতে হবে চিকিৎসকের পরামর্শ।
এসিডিটি কমায় : আমে রয়েছে টারটারিক এসিড, ম্যালিক এসিড এবং অল্প পরিমাণে সাইট্রিক এসিড। এই এসিডিক উপাদানগুলো অ্যালকালাইজিংয়ের মাধ্যমে এসিডিটির সমস্যাকে প্রশমিত করতে কাজ করে।
হৃদরোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে : হৃদরোগ প্রতিরোধে আম খুব উপকারী।
চোখের জন্য উপকারী : পর্যাপ্ত পরিমাণ ভিটামিন এ থাকায় ড্রাই আইয়ের সমস্যা কমায় পাকা আম।
স্মৃতিশক্তি বাড়ায় : স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে বলে শিশুকে আম খেতে দেওয়া উচিত। আমে আছে গ্লুটামিক, ফলিক এসিড, যা মস্তিষ্কের কোষ উজ্জীবিত করে।
ঠাণ্ডার সমস্যা দূর করে : প্রচুর ভিটামিন এ ও ডি থাকায় ঠাণ্ডাজনিত সমস্যা দ্রুত উপশম করে আম। তাই ঠাণ্ডা বা ফ্লু দেখা দিলে আম খাওয়া যেতে পারে।
স্কার্ভি প্রতিরোধ করে : আম থেকে ভিটামিন সি পাওয়া যায়। স্কার্ভি রোগ প্রতিরোধ করে এটি। দাঁত, মাড়ি, ত্বক ও হাড়ের সুস্থতা রক্ষা করতেও সাহায্য করে ভিটামিন সি।
হজমে সহায়ক : যাদের আইবিএস আছে, তারা হজমের নানা সমস্যায় ভোগেন। আমে প্রচুর আঁশ থাকায় হজমপ্রক্রিয়া উন্নত হয়। কোষ্ঠকাঠিন্যও দূর করে আম।
কিছু সতর্কতা
পাকা আমে চিনির পরিমাণ বেশি থাকে, তাই একসঙ্গে খুব বেশি খাওয়া ঠিক নয়। কারণ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তির জন্য বেশি আম খাওয়া ক্ষতিকর। ডায়াবেটিস রোগীদের আম খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। একটি মাঝারি আমে তিন গ্রাম ফাইবার থাকে। তাই একসঙ্গে বেশি আম খেলে বদহজম বা ডায়রিয়া হওয়ার ভয় থাকে।
পরামর্শ দিয়েছেন
মুশফিকা রাখি
পুষ্টিবিদ, বিএনকে হাসপাতাল ও বারডেম জেনারেল হাসপাতাল




