৫ থেকে ১২ বছর বয়সী শিশুর খাবার
বার্তালোক ডট কম
প্রকাশিত হয়েছে : ০৫ জুন ২০২৩, ১২:১২ মিনিটশিশুর বয়স ছয় মাস হওয়ার পর মায়ের বুকের দুধের পাশাপাশি অন্যান্য খাবার খাওয়ানো শুরু করতে হয়। কিন্তু কোন বয়সে শিশুকে কখন কতটুকু খাবার দিতে হবে, এ বিষয়ে পরিষ্কার ধারণা অনেকের মধ্যেই কম। বেশির ভাগ মা মনে করেন, শিশুকে বেশি বেশি খাবার খাওয়ালে তাদের বৃদ্ধি ও বিকাশ দ্রুত হবে। কিন্তু নিয়ম মেনে খাবার না খাওয়ালে অনেক সময়ই খাবার খাওয়ার উপকারিতা থেকে শিশুরা বঞ্চিত হতে পারে।
পাঁচ বছরের আগ পর্যন্ত শিশুদের শরীরে একটু বেশি ফ্যাটের প্রয়োজন হয়। তবে পাঁচ পেরিয়ে গেলে বেশি ফ্যাটের প্রয়োজন হয় না। সামান্য ফ্যাটের চাহিদা পূরণ হলেই যথেষ্ট। এ জন্য শিশুর খাবারে ঘি, মাখন, তেল ব্যবহার করতে হবে। শিশুর খাবার রান্নায় অলিভ অয়েল বা জলপাই তেল ব্যবহার করতে পারেন। ক্যালসিয়ামের চাহিদা মেটাতে দুধ বা দুগ্ধজাত খাবার খাওয়াতে হবে। প্রতিদিন ঘুমানোর আগে বা সকালে স্কুলে যাওয়ার আগে এক গ্লাস দুধ খাওয়ালে শিশুর দ্রুত বিকাশ ঘটবে।
শিশুর খাবারে বেশি চিনি, বেশি তেল বা বেশি লবণ দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। শিশুর জন্য মিষ্টিজাতীয় খাবারে চিনির বদলে আখের গুড় ব্যবহার করতে পারেন। গুড়ে যথেষ্ট আয়রন রয়েছে। শিশুদের ক্লান্তিবোধ, কোনো কিছু দ্রুত ভুলে যাওয়ার মতো সমস্যা সাধারণত আয়রনের অভাবেই হয়ে থাকে।
এই বয়সী শিশুদের প্রতিদিন একটি বা দুটি মৌসুমি ফল খেতে দিতে হবে। মৌসুমি ফলমূলে মৌসুমি রোগবালাইয়ের প্রতিকার পাওয়া যায়। পেয়ারা, আপেল, কমলা, কলা, পেঁপে বেশি খাওয়াতে পারেন। পাঁচ থেকে ১২ বছর বয়সী শিশুরা বাইরের খাবারের প্রতি বেশি আগ্রহী হয়। এগুলো স্বাস্থ্যের জন্য মোটেই ভালো নয়। এসব খাবার পরিহার করতে হবে।
সকাল, দুপুর ও রাত—এই তিন বেলা মূল খাবার খেতে দিতে হবে। এর বাইরে সকাল ও দুপুরের আগে একবার এবং দুপুর ও রাতের মধ্যে একবার নাশতা খেতে দিতে হবে। নুডলস, পিঠা, পায়েস, খিচুড়ি, সবজি, ঘরে তৈরি কেক, পিত্জা বানিয়ে নাশতা হিসেবে খাওয়াতে হবে।




